‘নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন’ নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের জয়যাত্রার উচ্ছ্বাসভরা গল্প রচনার অনুপ্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন। জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা এই অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান। এ প্রতিষ্ঠান নিয়ে নির্মিত হচ্ছে প্রামাণ্যচিত্র ‘নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন’। এটি নির্মাণ করছেন নাট্যনির্মাতা মোহাম্মদুল্লাহ নান্টু।

প্রামাণ্যচিত্রটির একটি অংশ নিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে এভিসি। বিজয় দিবস উপলক্ষে মুক্তি পেয়েছে এটি। মাশরাফি বিন মর্তুজার ফেসবুক পেজেও এটি মুক্তি পেয়েছে। যা এরই মধ্যে দারুণ সাড়া ফেলেছে। নির্মাতা মোহাম্মদুল্লাহ নান্টু রাইজিংবিডিকে বলেন—এটি মুক্তি পেয়েছে খুব বেশি সময় পার হয়নি। কিন্তু মুক্তির পর থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছি। মাশরাফি বিন মর্তুজা তার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজেও এটি প্রকাশ করেছেন। সেখান থেকেও ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি।

নড়াইল এক্সপ্রেস ফাইন্ডেশনের স্লোগান হচ্ছে—‘নড়াইল হবে প্রজন্মের সর্বশেষ্ঠ বাসস্থান।’ শিক্ষা-স্বাস্থ্য খেলাধুলা অর্থাৎ মানুষের মৌলিক অধিকার নিয়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। এই খেলাধুলা অংশের জন্য অর্থনৈতিক সাপোর্ট দিচ্ছে আইপিডিসি ফাইন্যান্স। আর তাদের অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে এই প্রামাণ্যচিত্র।

প্রামাণ্যচিত্রের বিষয়বস্তু উল্লেখ করে নির্মাতা নান্টু বলেন—এ ডকুফিল্মে সবচেয়ে বেশি ফুটে উঠবে, কী কারণে নড়াইল এক্সপ্রেস ফাইন্ডেশন নামে স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান তৈরি হলো, এ পর্যন্ত কি কি বিষয় নিয়ে তারা কাজ করছে। নড়াইল এক্সপ্রেস মাশরাফি বিন মর্তুজার একটি উপাধি। অর্থাৎ তার গতিকে বোঝানো হয়। মাশরাফি বিন মর্তুজার ব্রেসলেট নিলামে তোলা হয়েছিল। সেখান থেকে প্রাপ্ত টাকাটাও নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জন্য খরচ করা হবে। করোনা সংকটে অসুবিধায় থাকা মানুষের জন্য কাজ করছে তারা। দশ শয্যাবিশিষ্ট একটি আইসিইউ হাসপাতাল নড়াইলে নির্মিত হচ্ছে। এটিও তারা নির্মাণ করছে। প্রতিষ্ঠানটি করোনার সময়ে প্রচুর অক্সিজেন সরবরাহের কাজ করেছে, মোবাইল চিকিৎসা টিম করেছে। এসব বিষয় এই ফিল্মে তুলে ধরা হবে।

এরই মধ্যে প্রামাণ্যচিত্রটির ৮০ ভাগ শুটিং শেষ হয়েছে। চলতি মাসেই বাকি অংশের শুটিং শেষ হবে। বিষয়টি জানিয়ে নান্টু বলেন—মাশরাফি বিন মর্তুজার একদিনের শুটিং বাকি রয়েছে। চলতি মাসের শেষের দিকে নড়াইলে বাকি অংশের শুটিং শেষ হবে। আর আগামী জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে সম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে পারবো। এরপরই মুক্তি পাবে এটি।

Leave A Comment

Your mail address will not to be publiced